You are currently viewing এসইও কি? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পুরো ধারণা ২০২১- Msterblog

এসইও কি? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পুরো ধারণা ২০২১- Msterblog

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পুরো ধারণা

এসইও এর অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন, কোনও ওয়েবসাইটকে বা কোন কন্টেন্ট কে গুগল এর প্রথম পেইজে আনতে সহয়তা করে থাকে এসইও।

এসইও দুইভাবে হয়ে থাকে ১। আপনাকে টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে SERP= সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজে থাকা। ২। অর্গানিক ভাবে গুগল প্রথম পেইজে থাকা তার জন্য আপনাকে কোন টাকা দিতে হবে না। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনি প্রথম পেইজে থাকতে চাইলে আপনাকে টাকা দিয়ে থাকতে হবে আপনি যতদিন পর্যন্ত টাকা দিবেন গুগল কে ততদিন পর্যন্ত আপনার ওয়েবসাইট গুগলে প্রথম পেইজে রাখবে টাকা দেওয়া বন্ধ করলে প্রথম পেইজে আপনাকে আর দেখানো হবে না।Organic ভাবে গুগলে প্রথম পেইজ হলো তার বিপরীত আপনাকে তার জন্য কোন টাকা দিতে হবে না গুগল কে প্রথম পেইজে থাকতে আপনার ওয়েবসাইটকে ভালো মতো অপটিমাইজেশন করতে পারলে গুগল আপনার সাইটকে গুগল প্রথম পেইজে জায়গা দিবে ফ্রিতে।

একটা উদাহরণ দিয়ে জিনিস টাকা বিবেচনা করা যাক।মনে করুন কেউ গুগলে সার্চ করলো “কি করে অনলাইনে ইনকাম করা যায় ”যে সার্চ করেছে সে অনলাইন থেকে আয় করার চিন্তা ভাবনা করেছে কি করে অনলাইন থেকে আয় করতে হয় সেটা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।আপনি যদি এই অনলাইন আয় সম্পর্কে কন্টেন্ট লেখে থাকেন তাহলে আপনি চাইবেন যে আপনার কন্টেন্ট তার সামনে আসুক। আপনার কন্টেন্ট সে পড়ুক গুগলে প্রথম পেইজে আসুক।

আরও পড়তে পারেনঃ ২০২১ সালে নতুনদের জন্য ব্লগিং শুরু করার গাইড – MsterBlog

আপনাকে এই কীওয়ার্ড জন্য “কি করে অনলাইনে ইনকাম করা যায় ” আপনাকে এই কীওয়ার্ড জন্য যারা এই keyword কন্টেন্ট লেখেছেনে সে সব ওয়েবসাইট এর সাথে পাল্লা দিয়ে SERP তে আসতে হবে। এটি সহজ নয়, তবে এসইও বিষয়টি এটিই। বেশিরভাগ মানুষ অনলাইন কোন কিছু অনুসন্ধানের জন্য গুগল কে ব্যবহার করে থাকে। পৃথিবীতে প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ গুগলে সার্চ করে থাকে।আপনার ওয়েবসাইট ভিজিটর আনতে হলে গুগলে বিকল্প কোন সার্চ ইঞ্জিন নেই। কারণ গুগলে হিউস মানুষ সার্চ করে থাকে।কীভাবে আপনি আপনার কনটেন্ট গুলিকে গুগলের প্রথম পেইজে আনবেন তার জন্য আপনাকে প্রথমে বুঝতে হবে কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে।

এসইও কাকে বলে?এসইও (SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমা-ইজেশন (search engine optimization) বলতে বুঝায় কোনো নিদিষ্ট Keyword ব্যবহার করে ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে ফ্রিতে ট্রফিক (Traffic) বা ভিজিটর (Visitors) নিয়ে আসা কে SEO বলে।

এই আর্টিকেলটি আপনি পুরো পড়ুন এসইও সম্পর্কে আপনার পুরো ধারণা পেয়ে যাবেন।যাতে আপনার ওয়েবসাইট গুগলে প্রথম পেইজে আসতে এসইওতে আপনাকে সহায়তা করবে।

এসইও কত প্রকার?এসইওকে সাধারণত ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়ঃ
ব্ল্যাক হ্যাট ও হোয়াইট হ্যাট এবং গ্রে হ্যাট এসইও

আমরা হয়তো ব্ল্যাক হেকার এবং হোয়াইট হেকার নিয়ে পরিচিত। এসইও তে ও ব্ল্যাক এবং হোয়াইট দু’টি আছে। অনেক মানুষ আছে গুগলে প্রথম পেইজে তাড়াতাড়ি আসার জন্য ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করে থাকে। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করা ফলে আপনি সাময়িক এর জন্য কিছু ট্রাফিক পাবেন। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও প্রয়োগকারী লোকেরা কীওয়ার্ড স্টাফিং এবং লিঙ্ক স্ক্র্যাপিংয়ের মতো স্নিগ্ধ কৌশলগুলি দ্রুত র‌্যাঙ্ক করতে ব্যবহার করে।

এটি স্বল্পমেয়াদী জন্য কাজ করতে পারে এবং আপনাকে আপনার সাইটে কিছু ট্র্যাফিক পেতে সাহায্য করবে, যখন গুগল এই কৌশলটা বুঝতে পারে, গুগল আপনার ওয়েব সাইটটিকে পেনাল্টি করে দেয়, এমনকি Blacklist করে যাতে আপনি কখনো গুগলে মধ্যে Rank না পান সে ব্যবস্থতা করে রাখে গুগল।

আবার অন্যদিকে হোয়াইট হ্যাট এসইও হলো ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর বিপরীত। হোয়াইট হ্যাট এসইও তে দেরিতে আপনার ওয়েবসাইট গুগলে rank করবে তবে এটা দৈঘ্য মেয়াদি অনলাইন ব্যবসা পেতে আপনাকে সহায়তা করবে।আপনি যদি গুগলে নিয়ম অনুযায়ী আপনার ওয়েবসাইটি এসইও করেন তাহলে এটি হবে হোয়াইট হ্যাট এসইও। মনে রাখবেন দেরিতে হবে তবে একদিন হবে।

গ্রে হ্যাট এসইওয়ের মতো জিনিস রয়েছে যদিও। এর অর্থ এটি হোয়াইট হ্যাট এসইও গুলির শুভ্রতমের মতো শুদ্ধ বা নির্দোষ নয়, তবে এটি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও কৌশলগুলির মতো মারাত্মকভাবে হেরফের নয়। আপনি কাউকে ঠকানোর চেষ্টা করছেন না বা ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রে হ্যাট দিয়ে সিস্টেমটি খেলছেন। তবে, আপনি একটি স্বতন্ত্র সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

দেখুন, গুগলের মানগুলি যেমন বিশ্বাস করতে চায় তেমন পরিষ্কার-কাটনা নয়। অনেক সময় তারা এমনকি পরস্পরবিরোধী জিনিসও বলতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল বলেছে যে তারা লিঙ্কগুলি তৈরি করতে অতিথি ব্লগিংয়ের করা যাবে না।
সার্চ ইঞ্জিন কি? সার্চ বলতে আমরা কোন কিছু অনুসন্ধান বা খুঁজাকে বুঝায় ইঞ্জিন হলো যার মাধ্যমে কোন কোয়েরি খুজতে ব্যবহার করা হয় তাকে ইঞ্জিন বলে।

কিভাবে SEO কাজ করে?

সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগল এবং বিং ওয়েবে পেজ ক্রল করার জন্য বট ব্যবহার করে, সাইট থেকে সাইটে যায়, সেই পেইজগুলোর তথ্য সংগ্রহ করে ইনডেক্স করে রাখে। মনে করুন আপনি একটা লাইব্রেরীতে কেন একটা বই খুঁজতেছেন আপনি যে বইটি খুঁজতেছেন সেটার নাম জানেন তবে কোন জায়গায় আছে সেটা জানেন না, আপনি যে বইটি খুঁজতেছেন সেই বই সম্পর্কে এই লাইব্রেরিয়ান কে বললে খুব সহজে আপনাকে এই বই কোথায় আছে আপনাকে একটা ধারণা দিয়ে দিবে ঠিক তেমনি ভাবে গুগলকে ও এইভাবে চিন্তা করুন।একটি বিশাল লাইব্রেরির মতো ইনডেক্স কথা ভাবুন যেখানে একজন লাইব্রেরিয়ান একটি বই (বা একটি ওয়েব পৃষ্ঠা) টেনে আনতে পারেন যাতে আপনি সেই সময়ে ঠিক কী খুঁজছেন তা খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারেন।

অ্যালগরিদমগুলি ইনডেক্সে থাকা পেজগুলোকে বিশ্লেষণ করে, শত শত ranking ফ্যাক্টর বা সংকেত বিবেচনায় নিয়ে, কেউ কোন কিছু সার্চ করলে সহজে নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য অনুসন্ধানের ফলাফলে উপস্থিত হওয়া উচিত তা নির্ধারণ করতে গুগল ইনডেক্স করে থাকে।

সার্চ অ্যালগরিদমগুলি প্রাসঙ্গিক, প্রামাণিক পৃষ্ঠাগুলি প্রকাশ করার জন্য এবং ব্যবহারকারীদের একটি দক্ষ সার্চের অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে আপনার সাইট এবং বিষয়বস্তুকে অপ্টিমাইজ করা প্রয়োজন আপনার পৃষ্ঠাগুলিকে সার্চের ফলাফলে উচ্চতর স্থান পেতে সহায়তা করতে পারে।

এসইও করে আয়?

এসইও হলো মাল্টি-বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রি গুগল সার্চ কিন্তু পুরো এসইও ওপর নির্ভর করে আছে। এসইও এর চাহিদা অনেক রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একজন এসইও এক্সপার্ট বছরে $৭০-১ লক্ষ usd মতো আয় করতে পারে।একজন এসইও পার্সন শুধু ফ্রিল্যান্সার হয়ে কাজ না করেও ব্লগার হয়ে ও কাজ করতে পারে। এসইও করে ইনকাম করাটা বেশি কষ্টকর না ভালো মতো এসইও টিউটোরিয়াল ফলো করলে আপনি খুব সহজে এসইও শিখতে পারবেন চাইলে এসইও কোর্স করতে পারেন তাহলে আরও ভালো করে এসইও শিখতে পারবেন।

এসইও শিখতে কতদিন লাগে?এসইও শিখতে ৩ মাস মতো ভালো মতো সময় দিলে হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে এসইও হলো টেকনিক এটা কোন রকেট সায়েন্স না।আপনি যখন এসইও শিখতে বসবেন হাতে-কলমে শিখবেন এসও এর সব টেকটিক গুলো আয়ত্ত করে নিবেন।শুধু আয়ত্ত করলে হবে না এগুলো প্র্যাক্টিস করতে হবে আপনি চাইলে নিজের নামে ওয়েবসাইট দিয়ে এসইও করতে পারেন অথবা ব্লগস্পটে ওয়েবসাইটকে এসইও করতে পারেন অথবা চাইলে অন্য মানুষকে ফ্রিতে এসইও করে দিতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা হবে প্রচুর গুগল এসইও সহজ না কারণ গুগলে যে ওয়েবসাইট গুলো আগে থেকে Rank করে আছে সেগুলো কে টপকানো অনেকটা টপ ব্যাপার তবে চাইলে কোন ওয়েবসাইটকে বিট করতে পারেন যদি গুগল এসইও এর টেকনিক গুলো আপনার জানা থাকে তাহলে।অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে এসইও কিভাবে করে?এসইও করাটা খুব সহজ যদি এসইও টেকনিক গুলো আপনার আয়ত্ত থাকে তাহলে এসইও করতে পারেন। এসইও করতে আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন।

মার্কেটিং জন্য এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এসইও হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি মৌলিক অংশ কারণ মানুষ প্রতিবছর ট্রিলিয়ন এর মতো গুগলে সার্চ করে থাকে, প্রায়শই পণ্য এবং কোন তথ্য খোঁজার বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নিয়ে। সার্চের প্রায়ই ব্র্যান্ডের জন্য ডিজিটাল ট্র্যাফিকের প্রাথমিক উৎস এবং অন্যান্য মার্কেটিং চ্যানেলগুলির পরিপূরক। আপনার প্রতিযোগিতার তুলনায় সার্চের ফলাফলে বৃহত্তর দৃশ্যমানতা।

যাইহোক, সার্চের ফলাফলগুলি গত কয়েক বছর ধরে ব্যবহারকারীদের আরও সরাসরি উত্তর এবং তথ্য দেওয়ার জন্য বিকশিত হচ্ছে যা ব্যবহারকারীদের অন্যান্য ওয়েবসাইটে চালানোর পরিবর্তে ফলাফলের পৃষ্ঠায় রাখার সম্ভাবনা বেশি।

এছাড়াও লক্ষ্য করুন, সার্চ ফলাফলে সমৃদ্ধ ফলাফল এবং নলেজ প্যানেলের মতো বৈশিষ্ট্যগুলি দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করতে পারে এবং ব্যবহারকারীদের সরাসরি আপনার কোম্পানি সম্পর্কে আরও তথ্য প্রদান করতে পারে।

MsterBlog এর এসইও গাইডলাইন

এমস্টারব্লগ এর জন্য যেভাবে এসইও করে থাকি ঠিক সে পদ্ধতিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আপনিও আপনার ওয়েবসাইট কে ঠিক মতো এসইও করে গুগলে Rank করতে পারেন।

এই বিষয়গুলিকে আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করেছি এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের বিশেষজ্ঞদের কিছু কৌশলগত টিপস ও তুলে ধরছি যা আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলে SERP আসতে সাহায্য করবে।

ধাপ 1: অন পেজ ফ্যাক্টর: আপনার কনটেন্টে ভালো মতো অন পেজ করতে হবে। অন পেইজ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে অলরেডি আর্টিকেল লেখা আছে আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ুন অন পেজ সম্পর্কে জেনে যাবেন আরও পড়ুন আর্টিকেল লেখার আগে যে যে বিষয় গুলো খেয়াল করতে হবে সেগুলো ও।

ধাপ 2: কনটেন্ট: উচ্চমানের কনটেন্ট তৈরি করা, আপনার কনটেন্টটি যেন পুরোপুরি ভাবে বিশ্লেষণ করা থাকে মনে রাখবেন আপনি যে কনটেন্ট তৈরি করবেন সেটা ২য় বার আর লেখবেন না তাই একবার বিস্তারিত ভাবে তৈরি করুন মিনিমাম ২০০০+ শব্দের।কনটেন্ট বড় হলে সার্চ ইঞ্জিন এবং আপনার টার্গেট অডিয়েন্স আপনার কনটেন্ট পছন্দ করবে।

ধাপ 3: ইউজার ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট : দেখুন আপনার ওয়েবসাইট যতই ভালো কনটেন্ট থাকুক না কেনও আপনার ওয়েবসাইট যদি ইউজারস ফ্রেন্ডলি না হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটকে আপনার ভিজিটর পছন্দ করবে না। গুগল এটা মেনে চলে ইউজার এবং মোবাইল ফ্রেন্ডলি হওয়ার চাই যেমন: আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন কোয়ালিটি ভালো হতে হবে তাহলে এটা দেখতে চমৎকার দেখাবে ইউজারদেরও ভালো লাগবে। তাড়াতাড়ি আপনার ওয়েবসাইট লোড হতে হবে লোডিং স্পিড দেরিতে হলে ইউজার আপনার ওয়েবসাইট আসবে না।

ধাপ 4: এইচটিএমএল কোড : এইচটিএমএল ট্যাগ এবং স্ট্রাকচার্ড ডেটা আপনার সাইটে তথ্য সংগঠিত করতে সাহায্য করে এবং সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার বিষয়বস্তু বুঝতে সাহায্য করে। আপনার ওয়েবসাইট এর যদি এইচটিএমএল ট্যাগ গুগল বুঝতে না পারে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট Rank করবে না। সাধারণত ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট এইচটিএমএল ট্যাগ একই হয় তবে কিছু থীমের কারণ পরবর্তন হতে পারে। উদাহারন হিসাবে বললে প্রথম আলো এইচটিএমএল ট্যাগ এবং ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট করা ওয়েবসাইট এর এইচটিএমএল ট্যাগ অনেক ভিন্ন।

ধাপ 5: ট্রাস্ট, অথরিটি, এক্সপার্টাইজ : এই ধাপটি অনেকে ফলো করে না তার জন্য ওয়েবসাইটকে গুগল Rank দেয় না।দেখুন একজন ফুড ব্লগার সে ফুড নিয়ে ভালো লেখতে পারবে সে যদি চিকিৎসা নিয়ে লেখা লেখি করে তাহলে তারতো ট্রাস্ট থাকবে না সে হয়তো বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট থেকে আইডিয়া নিয়ে লেখেত পারবে স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে গুগল এগুলো কে একদম পছন্দ করে না। সর্বদা চেষ্টা করুন একটা ক্যাটাগরিতে ব্লগিং করতে। যদি অনলাইন আয় নিয়ে করতে চান তাহলে অনলাইন আয় নিয়ে করুন, যদি ফুড ব্লগিং করতে চান তাহলে ফুড ব্লগিং করুন, যদি স্বাস্থ্য টিপস দিতে চান তাহলে স্বাস্থ্য টিপস দিন যদি সবগুলো একসাথে করেন তাহলে গুগল আপনাকে Rank করবে না আপনার ওয়েবসাইট।

ধাপ 6: লিঙ্ক বিল্ডিং : লিঙ্ক বিল্ডিং এটা অতিই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ওয়েবসাইট এর যতই লিঙ্ক বিল্ডিং করবেন খুব সহজে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিটর এবং অথরিটি বাড়াতে পারবেন।

ধাপ ৭: স্প্যামিং: এসইও “শর্টকাট” থেকে সাবধান। এই কৌশলগুলি ব্যবহার করে ধরা পড়লে ম্যানুয়াল অ্যাকশন পেনাল্টি হতে পারে অথবা আপনার সাইটকে সার্চ ইনডেক্স থেকে বাদ দিতে পারে গুগল যে কোন সময়।

ধাপ ৮: অডিও/ভিডিও : দেখুন আপনার ব্লগে পোস্টে যদি অডিও/ভিডিও রাখতে পারলে আপনার ওয়েবসাইট Rank করার চান্স বেড়ে যায়, এখনো এমস্টারব্লগে অডিও ব্লগে অডিও যুক্ত করি নাই তবে ভিডিও যুক্ত করা আছে অতিতাড়াতাড়িই অডিও যুক্ত করে দিবো।

ধাপ ৯: কীওয়ার্ড : মেইন কীওর্ডটি, টাইটেল ব্যহার করা, কনটেন্ট শুরুর প্রথম Paragraph ব্যবহার করা, আপনার URL ব্যবহার করা ভুলেও কীওয়ার্ড ডেনসিটি করবেন না Rank করার পরিবর্তে ব্ল্যাক হ্যাট কৌশল এর অন্তভূক্ত হবে।

ধাপ ১০: ছবি: এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছবি আপনার কনটেন্ট সম্পন্ন ইউনিক এবং আপনার ছবিও ইউনিক হতে হবে। ছবিতে Alt text ভালো মতো ব্যাবহার করতে হবে ফিউচার ইমেজ মেইন কীওয়ার্ড দিতে হবে।

আপনার কাছে থাকা প্রশ্ন?

১. এসইও কিভাবে শিখবো?

SEO এর কাজ শেখার উপায় হলো নিজের মনকে সর্বদা শেখার জন্য প্রস্তুত রাখা। এসইও হলো প্রসেস বা টেকনিক আপনি যতই টেকনিক অবলম্বন করতে পারবেন ততই আপনি ভালো এসইও শিখতে পারবেন।এই ওয়েবসাইট এর অনেক এসইও কোর্স সম্পর্কে পোস্ট দেওয়া আছে এইখান থেকে এসইও শিখতে পারেন।

২. SEO কীভাবে করে?

এসইও করতে ওয়েবসাইট প্রয়োজন। আপনি যে কনটেন্ট লেখবেন সেটা এসইও ফ্রেন্ডলি লেখতে হবে ভালে মতো করে কীওয়ার্ড এর কম্বিনেশন করে অন পেইজ এসইও করা যায়।

Leave a Reply