You are currently viewing গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অনলাইন থেকে আয় পর্ব-২ | Msterblog.com

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অনলাইন থেকে আয় পর্ব-২ | Msterblog.com

 গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অনলাইন থেকে আয় 

মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলেছে ইন্টারনেট। মানুষ চাই নানান ভাবে অনলাইন থেকে অর্থ আয়ের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতেছে।বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে আয় করার বিভন্ন সুযোগ তৈরি হয়েছে। যদি অনলাইন থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে অর্থ আয় করতে হলে কোন এক প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোতে হবে। কোন প্ল্যাট ফর্ম ধরে না আগালে সেটা হবে আপনার জন্য বড় একটা সমস্যা যা আপনাকে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা থেকে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে।

অনলাইন আয় করার সুযোগ থাকলেও প্রতারনায় ও পড়ার সুযোগ রয়েছে এটা মনে রাখতে হবে আপনার থেকে। অনলাইন কাজ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই, অনলাইন থেকে অর্থ আয় করতে হলে অনেক কঠিন ভাবে কাজ করতে হবে লেগে থাকতে হবে তাহলে আপনি ভালো একটা অর্থ আয় করতে পারবেন। অনেক জায়গায় শুনে থাকবেন মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম এসব প্রতারনা থেকে এড়িয়ে যাওয়া জন্য আজকে আপনাদের মাঝে এমন কত গুলো Skill এবং Website শেয়ার করতে যাচ্ছি যাতে আপনি সঠিক ভাবে অর্থ আয় করতে পারবেন।

যা অর্থ আপনি উপার্জন করবেন সেটা আপনার ব্যাংকে ও আনতে পারবেন সে রকম কিছুই নিয়ে আলোচনা করবো। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। তাহলেই জেনে নেওয়া যাক নিছে কতগুলো Skill এবং Website সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো।

১. ফ্রিল্যান্সিংঃ ফ্রিল্যান্সিং অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিলান্সিং এর মাধ্যমে আপনি প্রতিমাসে ভালো একটি এমাউন্ট তৈরী করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং কি করে করতে হয় এই নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলোঃ আপনারা যদি চান ফ্রিল্যান্সিং কি করে শুরু করতে হয় তাহলে কমেন্ট মাধ্যমে জানিয়ে দিন।

ফ্রিল্যান্সার কিঃ
ফ্রিল্যান্সার হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো নির্দ্দিষ্ট  প্রতিষ্ঠানের সাথে কোনো প্রকার চুক্তিবদ্ধ না হয়ে স্বাধীন ভাবে কাজ করে থাকে। ফ্রিল্যান্সার হচ্ছে মুক্ত পেশা একজন ফ্রিল্যান্সার যিনি বি​ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে নিজ দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সারে নির্দ্দিষ্ট কোন পারিশ্রমিক নাও থাকতে পারে, আবার ফুল টাইইম বা পার্ট টাইম এ বিষযটি নির্দ্দিষ্ট নাও হতে পারে।

আরো সহজ ভাবে বললে, ফ্রিল্যান্সার হচ্ছে মুক্ত বা স্বাধীনচেতা একজন- যিনি বি​ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে নিজ দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন। উদাহরণ হিসাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে আলোচনার করবো আজক

গ্রাফিক্স ডিজাইন

যেমন: ​একজন ডিজাইনার যিনি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ডিজাইন করে থাকেন কিছু সময়ের জন্য লোগো ডিজাইন, ব্যানার, পোস্টার ডিজাইন একটা চুক্তি অনুযায়ী ডিজাইন করে থাকে। তার চুক্তি শেষ হলে সেই প্রতিষ্ঠানে সাথে অন্য কারও জন্য সে ডিজাইন করে থাকে একটা জিনিস মনে রাখতে হবে কোন ব্যাবসা শুরু করতে গেলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ভূমিকা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইন পারে কোন প্রতিষ্ঠানকে খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে পারে। একজন লোগো ডিজাইনার একটা লোগোর মাধ্যমে সে প্রতিষ্ঠানের নামটিকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে পারে।

বিভিন্ন ওয়েবসাইট ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে কাজের সুযোগ দেয় কিছু কিছু ওয়েবসাইট আছে Hourly Project এবং fixed price Project .
Hourly বেস কাজ করলে প্রতি ঘন্টায় আপনাকে ডলার দেওয়া হবে আপনার দক্ষতা যদি ভালো হয় তাহলে আপনি $15 থেকে $ 35 USD পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন, তার জন্য আপনাকে প্রথমে ভালো একটা সেক্টরের দক্ষ হতে হবে তাহলে আপনি ভালো একটা অর্থ আয় করতে পারবেন।

আসলে কি ফ্রিলান্সিং করে অর্থ আয় করা সম্ভব হা এটা ১০০% সম্ভব বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ ফ্রিলান্সিং করে প্রতি মাসে অনেক টাকা উপার্জন করতেছে। তাহলে এবার আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে কি করে আপনি কাজ করবেন কোথায় থেকে করবেন, কাউকে জানি না চিনি না, কাদের সাথে কাজ করবেন। আপনি কাজ করবেন আমেরিকার এবং ইউরোপ ভিত্তিক যে দেশ গুলো আছে তাদের জন্য। এবার আসি এদের কে কোথায় খুঁজে পাবেন। বাহিরের দেশের মানুষ রা তাদের কাজের জন্য বিভিন্ন দেশের মানুষ কে ভাড়া করে কেন তারা নিজের দেশের মানুষ কে দিয়ে না করিয়ে অন্য দেশের মানুষ কে দিয়ে করায়, কারণ তাদের দেশের মানুষ কে দিয়ে যদি করালে সে কাজের দাম আসবে অনেক সে জন্য তারা অন্যান্য দেশের মানুষদের কে ভাড়া করে কম খরচে সে কাজ করিয়ে নিতে পারে আশা করি আপনারা বুঝেছেন। কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।

বাহিরে দেশের মানুষ যখন তাদের কাজ করার প্রয়োজন হয় তাদের কাজের অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়। ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে Fiverr dot com Upwork dot com freelancer dot com আরো অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। এই সাইট গুলোতে Client আসে Project POST করে সেখান থেকেই আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজে বিড করবেন client আপনার বিড পছন্দ হলে আপনাকে ভাড়া করতে পারে। তখন সে কাজের জন্য কিছু দিন সময় থাকে কাজটা করার জন্য কাজ করা শেষ হলে সেটা আপনি জমা দিবেন Client যদি আপনার কাজে খুশি হয় তাহলে আপনাকে ভালো রেটিং আর টিপস ও দিতে পারে আপনার কাজ যদি তার পছন্দ না হলে সেটা সে আবার করার জন্য আপনাকে রিভিশন চাই তে পারে ঠিক হয়ে গেলে Client আপনার কাজ জমা নিয়ে নিবে তার পছন্দ না হলে আপনাকে খারাপ রিভিউ দিবে যেটা আপনার জন্য ভালো দিক না ফ্রিলান্সার এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালো রিভিউ আপনি ভালো ভাবে দক্ষ হয়ে এসব সাইটে একাউন্ট করুন। আশা করি ভালো দক্ষতা নিয়ে ফ্রিলান্সিং শুরু করবেন।

২. গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন বর্তমান খুব ভাল একটা পেশা, আপনার যদি আঁকা আঁকি বা কোন ক্রিয়েটিভ কিছু করতে ইচ্ছা করে তাহলে আপনাকে এই পেশায় স্বাগতম। অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ঘরে বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো ভালো উপায়। চাইলে ঘরে বসে খুব সহজে
গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা যায় ৪-৬ মাসের মধ্যে একজন ভালো ডিজাইনার হয়ে ওঠা যায়।

কি করে শিখবো গ্রাফিক্স ডিজাইন?

গ্রাফিক্স ডিজাইন

আগে আপনাদের জানতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রতি আপনার আগ্রহ আছে কিনা যদি আপনার আর্ট এর শখ থাকে, আঁকা করতে ভালো লাগে, ছবি আঁকতে, তাহলে এটা আপনার জন্য খুব একটা ভালো দিক হতে পারে, এই সেক্টরে আপনার আগ্রহ রয়েছে তাহলে আপনি অনেক দূরে এগিয়ে যেতে পারবেন।

যদি আগ্রহ না থাকে তাহলে কিছু দিন পরে আপনার আগ্রহ চলে যাবে এই সেক্টরে ভালো কিছু করতে পারবেন না মনে রাখতে হবে রাতারাতি সাকসেসফুলি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে ওঠতে পারবেন না কোন দিনও, ভালো ডিজাইনার হয়ে ওঠতে গিলে প্রচুর কষ্ট করতে হবে প্রচুর প্র্যাক্টিস করতে হবে আপনার থেকে তাহলে একজন ভালো ডিজাইনার হতে পারবেন।

এবার মনে প্রশ্ন আসতে পারে কোথায়ই থেকে শিখবেন কোন কোচিং সেন্টারে গিয়ে শিখবেন নাকি ঘরে বসে YouTube video দেখে শিখবেন। আমি সাজেস্ট করবো YouTube থেকে শিখার জন্য কেন এটা সাজেস্ট করলাম পরে বলতে ছি। কেন কোন কোচিং সেন্টারে না শিখতে বললাম কারণ বেশিরভাগ কোচিং সেন্টার এটা বাণিজ্য হিসাবে গড়ে তুলেছে বেশিরভাগ কোচিং সেন্টার ট্রেইনাররা সাকসেসফুল না তারা নামকা ওয়াস্তে শিখায় কোন প্রকার কাজে আসে না তাই পূর্ণাঙ্গা গাইডলাইন দেয় না, অনেক কোচিং সেন্টার আছে সফলতা সাথে ছাত্র দের কে ভালো ভাবে গড়ে অনলাইন থেকে আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে।

আমি এই দিকে যাচ্ছি না আমি সবসময় সাজেস্ট করবে অনলাইন থেকে শেখার জন্য এটা হলো সবচেয়ে ভালো। হা তবে অনলাইন থেকে যদি সঠিকভাবে খুঁজে বাহির করতে পারেন তাহলে এটা আপনার জন্য সবচেয়ে বেষ্ট হবে।এখন মনের ভিতর প্রশ্ন আসতে পারে।

নতুন অবস্থায় কি করে খুঁজবো কার ভিডিও ভালো?

চিন্তার করার কোন বিষয় না আপনার দের হাতে কলমে বলে দিবো কি করে খুঁজবেন।YouTube গিয়ে প্রথমে adobe illustrator এর বেসিক টুলস  গুলো শিখে নিবেন ভালো করে। সার্চ করবেন Adobe illustrator Bangla tutorial যেকোনো একটা playlist ধরে ভালো মতো টুলস এর ব্যবহার শিখে নিবেন। প্রথমে কোন ডিজাইন এর ব্যবহার শিখবেননা ভুলেও।

  টুলস এর ব্যবহার মোটামুটি শিখা হয়ে গেলে   তার পরের পদক্ষেপ হলো YouTube সার্চ করুন   How to create Business  Card Design in illustrator in Bangla একটা একটা করে ভিডিও দেখুন আর নিজে তৈরি করুন  চেষ্টা করবেন হবুহু হয় মতো এই ভাবে একটা একটা করে ডিজাইন করতে থাকবেন টানা ২ সপ্তাহে নতুন অবস্থায় ১ মাস করলে আশা করি Business Card Design তৈরি করতে পারবে। এই ভাবে  ইউটিউব থেকে ডিজাইন এর ভিডিও দেখে নিজের স্কিল তৈরি করুন।

শুধু Business Card না সব ধরনের ডিজাইন এই ভাবে শেখা যেতে পারে। যদি লোগো ডিজাইনার হতে চান তাহলে illustrator সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে বিশেষ করে পেন টুলস এর উপর। ইউটিউব সার্চ করতে পারেন How to Design a Logo in illustrator in Bangla এই ভাবে  শুরু করা যেতে পারে। নতুন অবস্থায়  Business Card Design দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

আপনি এই ইউটিউব চ্যানাল কে ফলো করতে পারেন খুব সুন্দর করে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে ভালো মতো আইডিয়া পাবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ১ম করনীয় কি?

মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য প্রথম অবস্থায় ২ টা সফটওয়্যার দিয়ে শুরু করতে পারেন।
১ .Adobe illustrator
২. Adobe Photoshop

Adobe illustrator কি?

গ্রাফিক্স ডিজাইন

মূলত illustrator দিয়ে ডিজাইন এর যাবতীয় কাজ করা হয়।Adobe illustrator যা illustrator নামে পরিচিত এটা একটি ভেক্টর গ্রাফিক্স সফটওয়্যার Adobe অনেক গুলো সফটওয়্যার এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মধ্যে অন্যতম। Adobe illustrator দিয়ে প্রিন্ট ডিজাইন এর যাবতীয় কাজ গুলো করা হয়। যেমনঃ Logo, business card, Poster Design, birthday Card Design, Gift Card Design, Banner Design Flyer Design, Brochures etc.আরো অনেক ডিজাইন এর কাজ করা যায়। ফ্রীতে গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স গুলো দেখতে পারেন।

Adobe Photoshop কী?

এটা Adobe এর একটা পণ্য এটা মূলত প্রাথমিক ভাবে ফটোশপ তৈরি হয়েছিল কেবলমাত্র ছাপার কাজে ব্যবহার করা হবে। Photoshop ছবি আঁকার তুলিগুলি এতো উচ্চমানের যে এটা দিয়ে ছবি আঁকা সম্ভব। ছবি আঁকার জন্য রয়েছে ডিজিটাল পেনে এই পেনর সাহায্যে কম্পিউটারে ছবি আঁকা সম্ভব।।

প্রথমে আপনার থেকে দেখতে হবে আপনি কি নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী আপনি যদি Logo, Business Card, Banners, Web banner, Social Media Design, Flyer Design, Brochure Design etc.
এই সব নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে Illustrator নিয়ে কাজ করতে হবে আর ছবি নিয়ে কাজ করতে চাইলে Photoshop নিয়ে কাজ করতে হবে Photoshop দিয়ে ছবির যাবতীয় কাজ করতে পারবেন। এমনকি Business Card Design,Banners, Posters etc ও ডিজাইন করা যায়।
আশা করি Adobe Illustrator এবং Adobe Photoshop নিয়ে মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ২য় করনীয় ?

আপনি এ-ই দুইটা সফটওয়্যার থেকে যে কোন একটা নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে পারেন,আপনার যদি logo তে আগ্রহ থাকে শুধু logo নিয়ে কাজ করুন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা ক্যাটাগরি হলে Logo Design,আপনি illustrator সকল টুল ভালো ভাবে শেখার পর শুধু এটা নিয়ে কাজ করবেন বর্তমানে লোগোর চাহিদা অনেক একটা লোগোর জন্য $1000 ডলার পযন্ত খরচ করে থাকে Clients যদি একজন ভালো Logo ডিজাইন হতে পারে প্রতি মাসে অনেক ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

Logo Design এর চাহিদা দিন দিন বাড়তেছে Marketplace গুলোতে। আজকে আমি লোগো নিয়ে কথা বেশি বলবো না শুধু বলবো কি করে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইন হওয়ার যায় বেসিক ধারণা দিবো। যদি কি করে একজন সফল লোগো ডিজাইনার হওয়া যায় জানতে চান তাহলে কমেন্ট মাধ্যমে জানিয়ে দিন।

নিজেকে জালিয়ে দেখুন আপনি কি নিয়ে কাজ করতে চান যেটা আপনার ভালো লাগে সেটার দিকে যাবেন তাহলে আপনার কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে যদি মনে করেন এই ডিজাইনার ওই ক্যাটাগরিতে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতেছে এই দিকে লাফ দিয়ে দিলেন তাহলে এটা সবচেয়ে বোকামি কাজ হবে যে ডিজাইনার হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতেছে তাকে তার পজিশন আসতে অনেক কষ্ট পেরিয়ে সে এখানে এসেছে ঠিক তেমনি আপনাকেও এই কষ্ট পেরিয়ে আসতে হবে এই পজিশন মনে রাখবেন রাতারাতি ডিজাইন আইডিয়া আসবে না ডিজাইন আইডিয়া আসতে শুধু অন্যর ডিজাইন কপি করুন কপি বলতে কোথাও আপলোড করতে পারবেন না কপি করা ডিজাইন গুলো শুধু নিজে শেখার জন্য কপি করতে পারবেন। আজকে একটা ক্যাটাগরিতে কথা বলবো কি করে শুরু থেকে শেষ পযন্ত।

Business Card Design বা ব্যাবসায়িক কার্ড ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত বলবো বুঝানো জন্য।এখন আপনি Adobe illustrator এর সকল টুলস ভালো মতো শেখা শেষ। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সবচেয়ে সহজ ক্যাটাগরি হলো Business Cards Design এটা নিয়ে শুরু করতে পারেন প্রথমে আপনার ডিজাইন কোয়ালিটি খুব ভালো হবে না আস্তে আস্তে আপনার ডিজাইন কোয়ালিটি ভালো হবে।

ডিজাইন কোয়ালিটি কি ভাবে বাড়াবেন?

  • প্রথমে 2 টা কালার নিবার্চন করুন। উদাহরণ হিসাবে নিছের Business Card ta দেখুন
গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ২. একটা ফন্ট নিবার্চন করু মনে রাখবে একটা ফন্ট নিয়ে শুধু Business Card তৈরি করবেন অন্য কোন ফন্ট ব্যবহার করবেন না ভালে মতো একটা ফন্ট দিয়ে অন্ততপক্ষে ১-২ মাস শুধু একটা ফন্ট নিয়ে কাজ করবেন।
  • ৩.কতগুলো flaticon থেকে icon নিয়ে রাখুন Business Card ব্যবহার করার জন্য
  • ৪. একটা লোগো নিয়ে রাখুন freepik থেকে।
  • ৫.প্রতিদিন ৩ টা freepik থেকে তিনটি Business Card ডাউনলোড করে রাখুন। চেষ্টা করুন হুবুহু এগুলো মতো কপি করতে মনে রাখবেন এই কপি করা ডিজাইন নিজের Portfolio কোথাও আপলোড করবেন না তবে আপনি চাই লে Facebook অনেক গ্ররুপ পাবেন সেখানে গিয়ে ডিজাইন গুলো রিভিউ করে নিবেন আর কোথাও আপলোড করবেন না মনে রাখিয়েন। প্রতিদিন ৩ টা করে Business Card Design করুন
  • এ-ই ভাবে ২-৩ মাস যাওয়ার পর দেখবেন আপনার ডিজাইন গুলো খুব সুন্দর হবে। যখন নিজ থেকে ডিজাইন এর আইডিয়া আসবে তখন আপনি freelancer গিয়ে একাউন্ট করবেন একাউন্ট কি করে করতে হয় YouTube থেকে একটা ভিডিও দেখে নিবেন কি করে একাউন্ট করতে হয়।
  • শুধু কনটেস্ট করবেন bid করবেন না যখন আস্তে আস্তে আপনার ডিজাইন কোয়ালিটি ভালো হবে রেটিং যখন পেতে থাকবেন তখন মনে করবেন আপনার ডিজাইন কোয়ালিটি গুনগত হয়েছে। যদি ডিজাইন কোয়ালিটি গুণগত হয় তাহলে Microstock সাইটে কাজ শুরু করতে পারেন   shutterstock    Adobe Stock, এইখানে ডিজাইন আপলোড করে একটা ইনকাম জেনেরেট করতে পারেন। বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে একটা ভালো আয় আসবে প্রতি মাসে।

একটা Business Card Design একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। মনে রাখতে হবে কপি ডিজাইন দেওয়া যাবে না কোন মতেই। আস্তে আস্তে আপনার ডিজাইন কোয়ালিটি ভালো হলো আপনার ইনকাম শুরু হবে তার পর ভালো করে ইংরেজি দক্ষ হয়ে Fiverr গিয়ে একটা একাউন্ট করুন একাউন্ট করার আগে Fiverr সম্পর্কে ভালো করে জেনে ডুকবেন না হলে সফলতা আসবে না fiverr নিয়ে YouTube ভালো ভাবে ঘাটাঘাটি করে না হয় যাবেন তাতে সফল হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনার ধৈর্য হারাতে পারবেন না সফলতা কিন্তু রাতারাতি আসে না মনে রাখতে হবে। সফল হতে গেলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়। তার পরে সফলতা মুখ দেখবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট মাধ্যমে জানান।

আপনার কাছে থাকা প্রশ্ন?

মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন?

মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায় না।তবে মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করতে পারবেন। আপনার কমিউনিকেশন ‍স্কিল ভালো থাকলে নিজে কাজ নিয়ে অন্য ডিজাইনারদের কে দিয়ে কাজ করিয়ে আয় করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

গ্রাফিক্স শব্দের অর্থ হলো ড্রইং বা আঁকা এবং ডিজাইন শব্দের অর্থ হলো নকশা। এখন যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন অর্থ একত্রে করলে হবে ড্রইং পরিকল্পনা বা আঁকা নকশা। সহজ ভাষায় বলতে গেলে কল্পনা করা ড্রইং বা চিত্র কে কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এর মাধ্যমে নিজের কল্পনা ধারণাগুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য, দৃশ্যমান ধারণাকে বুঝানো হয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন গাইডলাইন?

গ্রাফিক্স ডিজাইন গাইডলাইন নিয়ে আমার আগের পোস্টটি পড়লে গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যাটাগরি লিস্ট এব সব তথ্য পেয়ে যাবেন। 




Leave a Reply